চিনি শরীরে কী পথে যায়
- সাধারণ চিনি (সুক্রোজ) ভেঙে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ হয়।
- গ্লুকোজ রক্তে মিশে যায়। রক্তে শর্করা বাড়লে অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন ছাড়ে, যা গ্লুকোজকে কোষে ঢুকিয়ে শক্তি হিসেবে কাজে লাগায়।
- ব্যবহারের পর বাড়তি অংশ লিভার ও পেশিতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমে।
- তারপরও বাড়তি থাকলে লিভার তা চর্বিতে বদলে দেয়।
- ফ্রুক্টোজ প্রধানত লিভারে প্রক্রিয়া হয়। অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়।
বেশি চিনি খেলে
- ওজন বাড়ে। বিশেষ করে মিষ্টি পানীয়, কারণ তরল ক্যালরিতে পেট ভরার অনুভূতি কম আসে।
- দাঁতে ক্ষয়।
- দীর্ঘমেয়াদে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
- অনেকের খেয়াল হয়, মিষ্টি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর আবার ক্লান্তি ও খিদে লাগে।
কোন চিনি নিয়ে সতর্ক হবেন
WHO “ফ্রি সুগার” কমাতে বলে, অর্থাৎ যোগ করা চিনি, মধু, গুড়, সিরাপ ও ফলের রস। সীমা দৈনিক ক্যালরির ১০ শতাংশের কম, আরও কম (৫ শতাংশ, প্রায় ৬ চা-চামচ) হলে ভালো। আস্ত ফলের চিনি নিয়ে এই সতর্কতা নয়, কারণ ফলের সাথে আঁশ ও পানি থাকে।
লুকানো চিনি যেখানে থাকে
- কোল্ড ড্রিংক, প্যাকেটের জুস, এনার্জি ড্রিংক
- বিস্কুট, কেক, সস, কেচাপ, ফ্লেভার্ড দই
- কর্নফ্লেক্স, গ্রানোলা বার
- লেবেলে: সুক্রোজ, গ্লুকোজ সিরাপ, ডেক্সট্রোজ, উচ্চ-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ
নিজের খাবারের ক্যালরি আর কতক্ষণ হাঁটলে তা পোড়ে দেখতে Walk it off tool চালিয়ে দেখুন।