ঘুম কম হওয়ার সাধারণ কারণ
- বিকেল-রাতে ক্যাফেইন। চা-কফির প্রভাব ৫-৬ ঘণ্টা থাকে।
- রাতে স্ক্রিন ও উজ্জ্বল আলো। ফোনের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন দেরিতে তৈরি করায়।
- মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা। বিছানায় শুয়ে চিন্তা করতে থাকা।
- অনিয়মিত সময়। শিফট ডিউটি বা প্রতিদিন আলাদা সময়ে ঘুমানো।
- ঘুমের আগে ভারী খাবার বা মদ্যপান। মদ প্রথমে ঘুম আনলেও পরে ঘুম ভেঙে দেয়।
- গরম ও গোলমাল। ঢাকার গরমে ঘর ঠান্ডা না হলে গভীর ঘুম কমে।
- দিনে লম্বা ঘুম। ৩০ মিনিটের বেশি দুপুরের ঘুম রাতের ঘুম কমায়।
- শারীরিক কারণ। স্লিপ অ্যাপনিয়া (জোরে নাক ডাকা, ঘুমে শ্বাস থেমে যাওয়া), রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম, থাইরয়েড, আয়রনের অভাব, ব্যথা।
বেশি ঘুম হয় কেন
- আগের দিনের ঘুমের ঘাটতি পূরণ।
- ঘুমের মান খারাপ। যেমন অ্যাপনিয়া থাকলে ৯ ঘণ্টা শুয়েও ঘুম পূর্ণ হয় না।
- বিষণ্নতা, থাইরয়েডের সমস্যা, কিছু ওষুধ।
- একদমই নড়াচড়া না করা বা দিনে আলো না পাওয়া।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
- সপ্তাহে ৩ রাতের বেশি ঘুম আসে না, এমন চলছে ৩ মাসের বেশি।
- দিনে প্রচণ্ড ঘুম পায়, গাড়ি চালানোর সময়ও।
- জোরে নাক ডাকা বা ঘুমে শ্বাস আটকে যাওয়া।
- ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমিয়েও ক্লান্ত থাকেন।
নিজে নিজে ঘুমের ওষুধ খেয়ে অভ্যাস করবেন না। এটি সাধারণ তথ্য, ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। কোনো রোগ, গর্ভাবস্থা বা ওষুধ চললে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।